প্রিন্ট এর তারিখঃ Feb 5, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ 05 February 2026, 01:17 ইং
২০৪০ সালের মধ্যে সামরিক খাতে শতভাগ আত্মনির্ভরশীলতার লক্ষ্য জামায়াতের

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে হারানো মর্যাদা পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ‘ভিশন’ তুলে ধরা হয়। দলটির এবারের ইশতেহারে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে পররাষ্ট্রনীতিতে ন্যায্যতা এবং প্রতিরক্ষায় ‘ভিশন ২০৪০’ অর্জন।
ইশতেহারে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আমূল বদলে দেওয়ার এক উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:
- ভিশন ২০৪০: পুরোনো প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা আধুনিকায়ন করে ২০৪০ সালের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে শতভাগ আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- জাতীয় সামরিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান: অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উদ্ভাবনে একটি কেন্দ্রীয় গবেষণা সংস্থা গঠন করা হবে।
- তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ: ১৮ থেকে ২২ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের জন্য ৬ থেকে ১২ মাসের স্বেচ্ছামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করবে দলটি।
- বাজেট ও জনবল বৃদ্ধি: সামরিক বাহিনীর বাজেট পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে এবং জনসংখ্যার অনুপাতে বাড়ানো হবে সেনা সদস্যের সংখ্যা। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সংস্কার ও আধুনিকীকরণ করা হবে।
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’—এই নীতির পাশাপাশি সমমর্যাদাকে প্রাধান্য দিয়েছে:
- আঞ্চলিক সম্পর্ক: ভারত, মিয়ানমারসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখা হবে।
- মুসলিম ও উন্নত বিশ্ব: মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউ ও জাপানের মতো উন্নত বিশ্বের সঙ্গে গঠনমূলক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হবে।
- পাসপোর্টের মান উন্নয়ন: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও নাগরিকদের মর্যাদা বৃদ্ধিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
- রোহিঙ্গা সংকট: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ স্বপ্নভূমি নিউজ