• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

সংরক্ষিত নারী আসন: জামায়াতের সম্ভাব্য তালিকায় একঝাঁক মেধাবী মুখ


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:১৯
ছবির ক্যাপশন: ad728

স্টাফ রিপোর্টার :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গেজেট প্রকাশের পর এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন। সংসদীয় বিধি অনুযায়ী, সাধারণ আসনে প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে এবার বিএনপি ও তাদের মিত্ররা পেতে পারে ৩৫টি আসন। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট পেতে পারে ১৩টি আসন, যার মধ্যে জামায়াত এককভাবেই ১১টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দলীয় সূত্রমতে, সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জামায়াতের নীতিনির্ধারণী ফোরামে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের মেধা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি বিগত ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন এবং 'জুলাই বিপ্লবে' প্রার্থী ও তাদের পরিবারের ত্যাগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বেশ কিছু পরিচিত ও মেধাবী মুখ আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
  • অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা: কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি।
  • প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ: বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।
  • ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নী: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি।
  • ডা. আমিনা বেগম রহমান: কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য।
  • শাহান আরা বেগম: কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য।
এছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন সাঈদা রুম্মান, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার এবং আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন।

এ বিষয়ে জামায়াতের একজন শীর্ষ নেতা জানান, জোটের ঐক্য ধরে রাখা এবং কৌশলগত কারণে এখনই নাম চূড়ান্ত করা হচ্ছে না। তবে যোগ্যদেরই সংসদে পাঠানো হবে। অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "নারীরা দলের আমির হতে না পারলেও সংরক্ষিত নারী আসনে যোগ্য ও আধুনিক জ্ঞানসম্পন্নদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে।"

আইন অনুযায়ী, প্রতি ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সমর্থনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দ পাওয়া যায়। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কোনো জোটে যোগ দিলে এই হিসাব কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। বর্তমানে জামায়াতের মহিলা বিভাগে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক সদস্য এবং কয়েক লাখ কর্মী রয়েছেন, যাদের মধ্যে বড় একটি অংশ উচ্চশিক্ষিত ও পেশাজীবী।