• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে একের পর এক হামলা ইরানের


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬, ১৩:০৫
ছবির ক্যাপশন: ad728

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
ভারত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ ‘আইআরআইএস দেনা’ ধ্বংসের প্রতিশোধ নিতে মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ইরান। শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং বাহরাইনে অবস্থিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির নৌ-প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি জানিয়েছেন, আবুধাবির আল-ধাফরা, কুয়েতের আল-আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতে এই সুনির্দিষ্ট হামলাগুলো চালানো হয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় মার্কিন বাহিনীর প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং বিমানের বিশাল জ্বালানি মজুত রাখার ট্যাঙ্কগুলো ছিল প্রধান লক্ষ্যবস্তু। তবে মার্কিন পক্ষের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ইরানের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমিরাতের মাটিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত গোপন আস্তানা এখন থেকে ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন শত্রু, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের উৎসস্থল, বন্দর এবং ডকগুলোতে আঘাত হানতে দ্বিধা করব না।”

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ’-এ প্রকাশিত এক জরুরি বার্তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাধারণ বাসিন্দাদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আমিরাতের জনবহুল এলাকাগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা, বন্দর এবং ডক থেকে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আইআরজিসি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারত মহাসাগরে ইরানি যুদ্ধজাহাজে টর্পেডো হামলা এবং ৯৪ জন ক্রুর মৃত্যুর পর ইরান এখন ‘অল-আউট’ যুদ্ধের পথে হাঁটছে। এএফপি-র তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন মিত্ররা এখন চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।