৯ম পে-স্কেল ও জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাহার দাবিতে শিক্ষকদের বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক :
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৯ম জাতীয় বেতন কাঠামোর (পে-স্কেল) প্রজ্ঞাপন জারি এবং জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বিতর্কিত বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’। দাবি পূরণ না হলে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশের সকল জেলায় মানববন্ধন পালনের আলটিমেটাম দিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
ঘোষিত কর্মসূচিসমূহ: বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ডাকা আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে জোট নিচের কর্মসূচিগুলো পালন করবে:
- ২৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার): দেশের সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ প্রদর্শন।
- ৩০ জানুয়ারি (শুক্রবার): সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে ব্যাপক অংশগ্রহণ।
- ৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে দেশের সকল জেলায় মানববন্ধন।
বিবৃতিতে জোটের নেতৃবৃন্দ বলেন, "জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠনের পর দ্রব্যমূল্য কয়েক দফায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান বাজারে যে বেতন কাঠামো বিদ্যমান, তা দিয়ে সরকারি ও এমপিওভুক্ত কর্মচারীদের পক্ষে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।" তারা প্রশ্ন তোলেন, যদি ৯ম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারিই না হয়, তবে কমিশন গঠন করে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় কেন করা হলো?
একইসঙ্গে জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্যে শিক্ষক সমাজ ও সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ‘দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’ ইতোমধ্যে ২৮ ও ২৯ জানুয়ারি সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। তাদের এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :