• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

কেশবপুরে কালবৈশাখীতে আহত ৯ ঝড় শিলাবৃষ্টিতে ফসল ও বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষতি


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:৫৬
ছবির ক্যাপশন: ad728

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের কেশবপুরে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ধান, আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আকাশে মেঘ করে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে মানুষের বাড়ি ঘরের পাশাপাশি গাছ ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়। ভেঙ্গে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি, ছিড়ে গেছে অসংখ্য স্থানের তার। ঝড়ে আহত হয়ে ৯ জন কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র প্রেরণ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস প্রাথমিক ভাবে ১৫০ বিঘা জমির ধান হেলে পড়ার পাশাপাশি আম কাঁঠালের ক্ষতির কথা জানিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করার সম্ভব হয়নি।

সরেজমিন উপজেলার মূলগ্রাম এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় আলিম মাদ্রাসার দোতলায় নির্মাণাধীন ভবনের উপর বড় মেহেগণি গাছ ভেঙ্গে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এলাকায় শত শত গাছ উপড়ে গেছে। পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা মুহম্মদ শফির বসত ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। বৃষ্টিতে ঘরের ভেতর মালামাল ভিজে নষ্ট হয়েছে।


উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ে আহত হয়ে ৯ জন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ মধ্যে পাশ্ববর্তী নেংগুড়াহাটের হাবিবুর রহমানের ছেলে মিরাজ হোসেনকে (১৪) উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি আছে মধ্যকুল গ্রামের শিমুল হোসেন (৩০)। এছাড়াও আহত বাজিতপুর গ্রামের রহিমা খাতুনকে (৫০) উন্নত চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মূলগ্রাম দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলা উদ্দীন বলেন, এমন ঘূর্ণিঝড় অনেক দিন ঘটেনি। তার মাদ্রাসার ছাদের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এলাকার কৃষকের ধান, আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। ভেঙ্গে পড়েছে শত শত মূল্যবান গাছপালা।
কেশবপুর পল্লী বিদ্যুতের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ৭টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে পড়াসহ ৩৫ স্থানে তার ছিড়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, সব জায়গায় এক সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হতে নাও পারে।
উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, শিলাবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ে ধান, আম ও কাঁঠালের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপনে কাজ চলছে। অসংখ্য জায়গায় গাছগাছালি ভেঙ্গে ক্ষতি হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে আহত হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৯ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ মধ্যে ২ জনকে অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। ১ জন ভর্তি রয়েছে।