• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের অপসারণ দাবি: যশোরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের কলমবিরতি ও মানববন্ধন


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬, ১৭:৩৬
ছবির ক্যাপশন: ad728

স্টাফ রিপোর্টার :
‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর আহ্বানে ইসলামী ব্যাংকের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিতর্কিত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের অপসারণের দাবিতে ১ ঘণ্টার কলম বিরতির আহবান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ সোমবার যশোর শহরের আর এন রোডস্থ ইসলামী ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে সাধারণ গ্রাহকদের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

​আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— অবৈধ চেয়ারম্যানের অপসারণ, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, সাধারণ গ্রাহকদের ওপর নির্মম পুলিশি হামলার প্রতিবাদ, আমানতের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং এস আলম ও ফ্যাসিস্টের দোসরদের ব্যাংকিং খাত থেকে বয়কট করা।

​ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম যশোর শাখার আহবায়ক রাশেদুজ্জামান রতনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কামরুল ইসলাম শিহাবের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের গ্রাহক জাকির হোসেন, মফিজুর রহমান, 
নাসরিন নাহার, ড. মাহবুবুর রহমান, অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফসহ আরও অনেকে।
​মানববন্ধনে বক্তারা বলেন:আমরা এখানে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক হিসেবে ব্যাংকের আমানতের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার জোর দাবি জানাতে এসেছি। পরিচালনা পর্ষদে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিতর্কিত নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিলের জন্য আমরা তীব্র জোর জানাচ্ছি, তাকে অবিলম্বে এখান থেকে সরতে হবে।

​"আমরা চব্বিশের আন্দোলন ও ৫ই আগস্টের লড়াই করেছিলাম ফ্যাসিস্ট সরকারকে হঠানোর জন্য। আমি নিজেও যশোরে সেই আন্দোলনের প্রথম কাতারে ছিলাম। আমরা রক্ত দিয়েছি, শ্রম দিয়েছি, শহীদ হয়েছি একটা স্বাধীন দেশ পাওয়ার আশায়। আমরা আশা করেছিলাম মায়ের কোলে ফিরে এসেছি, কিন্তু বর্তমান সরকারের ভেতরের কিছু অংশও এই দোসরদের সাথে আঁতাত করে সেই বিতর্কিত খুরশীদ আলমকে বসানোর চেষ্টা করছে।"
​বক্তারা ইসলামী ব্যাংককে একটি বৈশ্বিক স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার এই ব্যাংকটিকে কামড়ে খেলেও শেষ করতে পারেনি। কারণ এটি সাধারণ মানুষের রক্ত ও সততা দিয়ে গড়া প্রতিষ্ঠান। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যেখানে মধু থাকে সেখানে দুষ্ট মাছি আসবেই, কিন্তু সাধারণ গ্রাহকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই লুটপাটকারী খুরশীদ আলমকে প্রতিহত করবে।

​কর্মসূচি থেকে হুশিয়ারি দেওয়া হয় যে, অতি দ্রুত যদি এই বিতর্কিত ও স্বৈরাচারের দোসর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে গ্রাহকবান্ধব কমিটি গঠন করা না হয়, তবে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।