• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

যশোর ইনস্টিটিউট নির্বাচনে ভোট গ্রাহন শেষ,২০৭৭ ভোটারের ভোট প্রয়োগ, চলছে গণনা


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৬
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঐতিহ্যবাহী যশোর ইনস্টিটিউট নির্বাচন শেষ হয়েছে  । সকাল দশটায় এই নির্বাচন শুরু হয়।চলেবিকাল পাঁচটা পর্যন্ত।  এ নির্বাচনের ২০৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। 

ঐতিহ্যবাহী যশোর ইনস্টিটিউট নির্বাচন  উপলক্ষে দু’প্যানেলের পোস্টারে সেজেছে পাবলিক মাঠ। 
আজশুক্রবার (২৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিতহচ্ছে  ঐতিহ্যবাহী যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন-২০২৬। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি ও টাউন ক্লাব এলাকায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো চত্বর।

এবারের নির্বাচনে ৪২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ‘সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি’ এবং ‘পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ’ নামে দুটি প্যানেল থেকে ২০ জন করে মোট ৪০ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। এ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন নুরুন্নবী (ব্যালট ৪১) ও মাহবুবুর রহমান (ব্যালট ৪২)। ৩ হাজার ২৯ জন ভোটার 2০৭৭ জন  ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তাদের উপরে নির্বাচিতরা আগামী তিন বছরের জন্য যশোর ইনস্টিটিউটের নেতৃত্ব দেবেন ।

সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি (ব্যালট ১-২০): এ. জেড. এম. সালেক (স্বপন) ও কবি কাসেদুজ্জামান সেলিমের নেতৃত্বে এই প্যানেলটি ‘আমাদের অঙ্গীকার সংস্কার ও উন্নয়ন, বাস্তবায়ন করতে চাই যশোরবাসীর সমর্থনে। 

 পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ (ব্যালট ২১-৪০): আনিসুজ্জামান পিন্টু ও কবি তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এই প্যানেলটি ‘নতুন মুখ, নতুন ঐক্য, নতুন আলো’ স্লোগান নিয়ে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছে। 

নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মাঝে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।  ভোটকেন্দ্রের মাঠে একাধিক সাধারণ ভোটারের সাথে কথা বলে জানা গেছে  ভোটার , কোনো একক প্যানেল নয়, বরং দুই প্যানেলের যোগ্য ও পরীক্ষিত প্রার্থীদের সমন্বয়ে একটি মিশ্র ফলাফল আসতে পারে।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটি জানিয়েছে,আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। নির্বাচনের ২০১৭ জন ভোটার তাদের ভোট অধিকার প্রয়োগ করেছে। ভোট গণনা চলছে। 
দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনকে ঘিরে যশোরবাসীর দৃষ্টি এখন ইনস্টিটিউট চত্বরের দিকে। কে হাসবেন শেষ হাসি—অভিজ্ঞতা নাকি পরিবর্তন, তা আজই স্পষ্ট হবে।