• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

ইসরায়েলের পরমাণু কেন্দ্র ও কমান্ড দপ্তরে ইরানের ভয়াবহ হামলা


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৮
ছবির ক্যাপশন: ad728

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ইসরায়েলের রাজধানী জেরুজালেমে অবস্থিত সামরিক বাহিনীর কমান্ড দপ্তর এবং মৃত সাগরের (ডেড সি) দক্ষিণে অবস্থিত একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ হামলার দাবি করেছে ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইআরজিসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মিলিটারি কন্ট্রোল সেন্টার অব কমান্ড এবং দেশটির অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি পরমাণু স্থাপনা। যদিও এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহত নিয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ২১ দিনব্যাপী চলা সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েলি অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’।

যৌথ বাহিনীর এই হামলায় ইরান ইতোমধ্যে তাদের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং আইআরজিসি’র শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে হারিয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ইরানে ২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং অসংখ্য সামরিক-বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

ইরানও এই হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে সমানতালে। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ছাড়াও সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে তেহরান। বৃহস্পতিবারের এই সর্বশেষ হামলা সেই প্রতিশোধেরই একটি বড় অংশ বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: আলজাজিরা ও ফার্স নিউজ।