• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

দুই ছেলে সরকারি কর্মকর্তা, মায়ের নামে বয়স্কভাতার কার্ড


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩
ছবির ক্যাপশন: ad728

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে সরকারি পদস্থ দুই কর্মকর্তা তথ্য গোপন করে তাদের মায়ের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন দিপু।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা মোছা. মনোয়ারা বেগমের নামে ২০২৫ সালের ১ জুলাই তারিখ হতে বয়স্কভাতার (উপকারভোগী আইডি নম্বর-১৪১০১৮৫৪০৫) কার্ড চালু হয়। তার এনআইডি নম্বর-৭৭৯৫৪৭৭৫৯০, পিতা- শেখ ইউনুস আলী ও মাতা- নূরজাহান বেগম।

স্থানীয়রা জানান, মনোয়ারা বেগমের বড় ছেলে মো. আবু তাহের সরদার মেহেরপুরে কন্ট্রাক্ট গ্রোয়ার্সের কার্যালয়ে বিএডিসির উপপরিচালক এবং ছোট ছেলে এস এম মফিজ নড়াইল সদর উপজেলায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। দুই ছেলে সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা হওয়ার পর কিভাবে তাদের মায়ের নামে বয়স্কভাতার কার্ড হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের দাবি জানান তারা।

উপকারভোগী মনোয়ারা বেগমের ছেলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম মফিজ মুঠোফোনে জানান, বাবার মৃত্যুর পর মায়ের নামে বয়স্কভাতা কার্ডের আবেদন করা হয়। ২০২৫ সালের ১ জুলাই তারিখ হতে সেই কার্ড (উপকারভোগী আইডি নম্বর-১৪১০১৮৫৪০৫) চালু হয়। সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা হওয়ার পর কেনো মায়ের নামে বয়স্কভাতার কার্ড করানো হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ওই কার্ড ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন দিপু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিধবা এবং বয়স্কভাতা সাধারণত সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, হত দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের জন্য প্রাপ্য। সেখানে দুই জন সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা প্রকৃত তথ্য গোপন করে তাদের মায়ের নাম বয়স্কভাতার জন্য তালিকাভূক্ত করেছেন। যা খুবই দুঃখজনক। বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বরাবর পত্র পাঠানো হয়েছে।’