• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্তে সিআইডিকে আরও ৫ দিন সময় দিলেন আদালত


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:১৮
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক :

 ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আরও পাঁচ দিন সময় দিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও সিআইডি তা জমা দিতে পারেনি। আদালতে সিআইডির পক্ষ থেকে সময়ের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।


এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দেওয়া অভিযোগপত্রের ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালতে 'নারাজি' আবেদন দাখিল করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি পুনরায় তদন্তের ভার সিআইডিকে দেন।


মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে বহনকারী অটোরিকশাটি পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়।


গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা হলেও মৃত্যুর পর তা হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।


গত ৬ জানুয়ারি ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন। সেখানে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি ও ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তার মতে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।


অভিযোগপত্রভুক্ত প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুলসহ পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছেন। মামলার বাদীপক্ষের দাবি, প্রকৃত ঘটনা ও নেপথ্যের কুশীলবদের আড়াল করতেই তড়িঘড়ি করে এই চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল, যার প্রেক্ষিতেই অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন আদালত।