• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

প্রসুতির মৃত্যু ঘটনায় দেশ ক্লিনিকের ৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা পুনঃতদন্তের আদেশ


FavIcon
Swapnobhumi
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:০১
ছবির ক্যাপশন: ad728

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর:
যশোরের দেশ ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির তাজরিন সুলতানা রুকুর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলাটি পিবিআইকে পুনতদন্তের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের উপর নারাজি আবেদনের শুনানি শেষে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এ আদেশ দিয়েছেন। ২০২৪ সালের দুই চিকিৎসক, পরিচালকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মনিরামপুরের কাশিপুর গ্রামেরর আব্দুল আলিম বাদী হয়ে এ মামলা করেছিলেন। 
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আব্দুল আলিমের ভাইজি তাজরিন সুলতানা রুকুর প্রসব বেদনা উঠলে ২০২৫ সালের ১৬ মে দিবাগত রাতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনেরা। সেখানে দালালের খপ্পরে পড়ে স্বজনেরা তাকে দেশ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে ভর্তি করেন। পরদিন সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আসামি ডাক্তার সন্দীপ কুমার পালকে দিয়ে তাড়াহুড়ো করে তাজরিন সুলতানা রুকুর সিজার করান এবং একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সিজার করার পর তাজরিন সুলতানা রুকুর তলপেট ফুলে শারিরীক অবস্থার অবনতি ঘটে। বিষয়টি আসামিদের জানালে তারা গুরুত্ব না দিয়ে তাকে ওই অবস্থায় ফেলে রাখেন। গত ১৯ মে রুকুকে ছাড়পত্র দিয়ে স্বজনদের খুলনা অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যেতে বলেন। এরপর তাজরিন সুলতানা রুকুকে খুলনা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানকার চিকিৎসক পরীক্ষা করে জানান, তার কিডনি ও ফুসফুস নষ্ট এবং রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ কারণে তাজরিন সুলতানা রুকুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যেতে বলা হয়। এ সময় কোনো উপায় না পেয়ে বিকেলে তাজরিন সুলতানা রুকুকে দ্রæত খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হলে রাত ৪টার দিকে মারা যায়। এ ঘটনায় তাজরিন সুলতানা রুকুর চাচা আব্দুল আলিম ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু অভিযোগে দুই চিকিৎসক ও পরিচালকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আসামিরা হলো, শহরের ঘোপ নওয়াপাড়ার দেশ ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক (ব্যবস্থাপক) রাজু আহমেদ, ডাক্তার সন্দীপ কুমার পাল ওরফে এস কে পাল (সার্জন), ডাক্তার মনিরুল ইসলাম (অজ্ঞান) ও নার্স রানু।
আদালতের বিচারক অভিযোগের তদন্ত করে সিআইডি পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন। মামলার তদন্ত শেষে আসামিদের অব্যহতি চেয়ে আদালতের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ প্রতিবেদনের উপর নারাজি আবেদন করেছিলেন মামলার বাদী। গতকাল নারাজি আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক পিবিআইকে পুনঃতদন্তের আদেশ দিয়েছেন।