• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Techogram

গণভোটের প্রচারণায় যুক্ত হচ্ছেন মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: প্রেস সচিব


FavIcon
শাহরিয়ার সীমান্ত
নিউজ প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৬:৫২
ছবির ক্যাপশন: ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আগামী গণভোটে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরতে সারা দেশের ৪ লাখ মসজিদের ইমামসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

প্রেস সচিব জানান, জুমার নামাজের খুতবায় গণভোটের গুরুত্ব এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কেন ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া প্রয়োজন, সে বিষয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে ধর্ম মন্ত্রণালয় কাজ করছে। শুধু মসজিদ নয়, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ের মাধ্যমেও এই প্রচারণা চালানো হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়, ইতোমধ্যে দেশের ৫০০ জন শীর্ষ আলেমের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করা হয়েছে, যেখানে মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী ও শায়েখ আহমদুল্লাহর মতো ব্যক্তিত্বরা যুক্ত ছিলেন। তারা এই উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। এ ছাড়া সারা দেশের ৭৭ হাজার মক্তবের শিক্ষক ও ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে এই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে।

শফিকুল আলম বলেন, "ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নেটওয়ার্ক একদম গ্রামের প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত। এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে হাজার হাজার লিফলেট বিতরণ করা হবে। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে নিঝুম দ্বীপ থেকে শুরু করে হাতিয়ার প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত প্রতিটি মানুষ গণভোটের মেসেজ পাবে।"

প্রেস সচিব উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৭ সালের গণভোটের সময় শিক্ষার হার মাত্র ২৭ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা ৮০ শতাংশ। বর্তমানের তরুণ প্রজন্ম ইউটিউব ও টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকায় তথ্য পৌঁছানো আরও সহজ হয়েছে। তিনি বলেন, "এই গণভোটের মাধ্যমে আগামী ১০০ বছরের বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে, তাই জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।"

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার পাশাপাশি ধর্ম উপদেষ্টা, ধর্ম সচিব এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।