স্টাফ রিপোর্টার:
যশোরে আবহমান বাংলার ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখ উদযাপনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে যশোর কালেক্টরেট ভবনের ‘অমিত্রাক্ষর’ সভা কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বর্ষবরণের মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। এরপর সকাল ৮:৩০ মিনিটে টাউন হল মাঠ থেকে একটি বিশাল বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হবে। জেলা প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে র্যালিটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় টাউনহল ময়দানে এসে শেষ হবে।
শোভাযাত্রায় মুখ ঢাকা মুখোশ পরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে প্রতিকৃতি হিসেবে মুখোশ হাতে বা প্লাকার্ড হিসেবে রাখা যাবে।সন্ধ্যার আগেই জেলার সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সমাপ্ত করতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, যানজট নিরসন ও জননিরাপত্তায় পুলিশ বিভাগ মাঠে তৎপর থাকবে।
নববর্ষ উপলক্ষে যশোর জেনারেল হাসপাতাল, জেলখানা, সরকারি শিশু পরিবার ও এতিমখানাগুলোতে উন্নতমানের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হবে। এছাড়া শিশু একাডেমিতে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, "যশোরে বরাবরই নান্দনিকভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়। নতুন সরকারের অধীনে আমরা এই নববর্ষকে আরও আনন্দঘন ও বর্ণিল করতে চাই। আবহমান বাংলার রূপ শোভাযাত্রায় ফুটিয়ে তোলার জন্য আমি সবাইকে আহ্বান জানাই।
যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, পহেলা বৈশাখ উদযাপনকারী প্রতিটি সাংস্কৃতিক সংগঠনকে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫,০০০ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হবে।
প্রস্তুতি সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, দৈনিক লোকসমাজের প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সানোয়ার আলম খান দুলুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আপনার মতামত লিখুন :